Home / প্রযুক্তি / কম্পিউটার / ল্যাপটপের ব্যাটারী সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে রাখা ভালো

ল্যাপটপের ব্যাটারী সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে রাখা ভালো

ল্যাপটপে সাধারণত তিন ধরণের ব্যাটারী থাকে। যথাঃ ১) nickel cadmium (NiCad) ২) nickel metal hydride (NiMH), ৩) lithium-ion বা “Li-ion” ব্যাটারী। lithium-ion বা “Li-ion” বিশ্বে বহুল ব্যবহৃত। ’৯০ দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে এটি ব্যবহৃত হচ্ছে। অন্যান্য ব্যাটারীর তুলনায় Li-ion ব্যাটারী বেশি চার্জ ধরে রাখতে পারে। কোম্পানি ভেদে এবং ব্যবহারভেদে অধিকাংশ Li-ion ব্যাটারী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে তার ৮০% কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। কোম্পানিভেদে এবং ব্যবহাভেদে একটি Li-ion ব্যাটারীর আয়ু ২ থেকে ৪ বছর পর্যন্ত হয়ে থাকে। তবে কিছু ব্যাটারী সর্বোচ্চ ৬ বছর পর্যন্ত চলতে পারে। তবে তা বিরলও বটে। এর পর ব্যাটারী নষ্ট হতে থাকে। অর্থাৎ চার্জ ধরে রাখতে পারে না। ফলে নতুন ব্যাটারী লাগাতে হয়। কোম্পানিভেদে এবং ব্যবহারভেদে একটি ব্যাটারী পূর্ণ চার্জ হলে ১-৬ ঘন্টা পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। একটি ব্যাটারীর mAH যতো বেশি হবে সেটি বেশিক্ষণ চার্জ ধরে রাখতে পারে। তাই 1500 mAH ব্যাটারী 1250 mAH ব্যাটারীর তুলনায় বেশি চার্জ ধরে রাখতে পারে। তাই ব্যাটারী কেনার সময় এটি লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন। ল্যাপটপ ব্যাটারীতে একবারও না চালালে ব্যাটারীর আয়ু আরো তাড়াতাড়ি শেষ হবে। তাই প্রতিদিন কিছু সময় ল্যাপটপ ব্যাটারীতে চালানো ভালো। তবে ২০% চার্জ এর নিচে ল্যাপটপ ব্যবহার করা মোটেই ঠিক নয়। কিংবা চার্জ একেবারে শেষ করে দেওয়া ঠিক নয়। অনেকে ল্যাপটপের ব্যাটারী চার্জ সম্পূর্ণ শেষ করে আবার রিচার্জ করেন। কিন্তু এতে ব্যাটারীর কার্যক্ষমতা খুব দ্রুত নষ্ট হয়। তাই চার্জ শেষ হবার পূর্বেই রিচার্জ করুন। অত্যধিক তাপমাত্রা ব্যাটারী দ্রুত নষ্ট হতে সহায়তা করে। তাই ল্যাপটপ যেন খুব গরম না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। ল্যাপটপ হতে ব্যাটারী খুলে ল্যাপটপ ব্যবহার করা ঠিক নয়। কারণ হঠাৎ হাই ভোল্টেজ হলে ল্যাপটপ নষ্ট হয়ে যেতে পারে, যেটি প্রায়শঃ প্লাগ-ইন বা পাওয়ার প্লাগ সকেটে লাগানোর ক্ষেত্রে ঘটে থাকে। অনেক ক্ষেত্রে ব্যাটারী এবং ল্যাপটপের এ্যাডেপটর হাইভোল্টেজ হতে ল্যাপটপকে রক্ষা করে থাকে। ল্যাপটপ ব্যাটারী আয়ু (life cycle) গণনা করা হয় তার discharge/charge এর উপর। অধিকাংশ নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান ল্যাপটপের ব্যাটারীর cycle নিধারণ করে থাকে সাধারণত ৩০০ এবং ৫০০ discharge/charge cycles-এর মধ্যে। অর্থাৎ ৩০০/৫০০ বার পূর্ণ চার্জ এবং ডিসচার্জ হলে ব্যাটারীর আয়ু শেষ হয়ে যায়। ফলে নতুন ব্যাটারী কেনার প্রয়োজন পড়ে।

About admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*