Home / রান্নাঘর / টিপস / ডিম রান্না বিষয়ক কয়েকটি প্রয়োজনীয় টিপস
Egg

ডিম রান্না বিষয়ক কয়েকটি প্রয়োজনীয় টিপস

ডিম একটি অতি প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাবার। প্রায় প্রতিদিন রান্নায় কিংবা খাবারের মেনুতে এটি থাকে। তাই এর উপর কয়েকটি টিপস দেওয়া  হলোঃ
১. ডিম সিদ্ধ করতে হলে পানিতে সামান্য লবণ দিয়ে দিন। এতে ডিম তাড়াতাড়ি সিদ্ধ হবে এবং ডিম সহজে ফাটবে না। এভাবে ডিম খেতেও ভালো লাগে।
২. গরম অবস্থায় ডিমের খোসা ছড়াবেন না। গরম পানি থেকে নামিয়ে ঠান্ডা পানিতে কিছুক্ষণ রেখে খোসা ছাড়ান। এতে ডিমের খোসায় লেগে ডিম ছিঁড়বে না অর্থাৎ ডিম অক্ষত থাকবে।
৩. অর্ধ সিদ্ধ ডিম খেতে চাইলে সাধারণত ১২-১৫ মিনিট ফুটালে অর্ধ সিদ্ধ ডিম হয়ে যায় (তাপ দেওয়ার পর থেকে ১২-১৫ মিনিট) অথবা পানি ফুটতে শুর করলে তার থেকে ৫-৭ মিনিট অপেক্ষা করলে ডিম অর্ধ সিদ্ধ হয়। তবে এর জন্য ডিম বরাবর/সমান পানি দিতে হবে। এটি ১-২টি ডিমের জন্য। ডিমের সংখ্যা, পানির পরিমান এবং তাপের কম-বেশির কারণে সময় কম-বেশি হতে পারে। গরম পানি থেকে নামিয়ে ঠান্ডা পানিতে কিছুক্ষণ রেখে খোসা ছাড়ান।
৪. জ্বালানী খরচ ও সময় বাঁচাতে ডিম ও আলু এক সংঙ্গে সিদ্ধ করতে পারেন। অর্ধ সিদ্ধ ডিম হলে তা আগেই পাত্র থেকে তুলে নিতে হবে। ডিম পূর্ণ সিদ্ধ চাইলে আলু সিদ্ধ হওয়া পর্যন্ত রেখে দেওয়া যেতে পারে।
৫. ডিমের খোসার টুকরা ভেঙ্গে ডিম ভাজি বা ওমলেটের উপর না পড়ার জন্য ডিমকে এক আঘাতে ভাঙ্গেতে হবে এবং এক চাপে বের করতে হবে।
৬. সাধারণত কালো রংয়ের কড়াইয়ে ডিম ভাজা ভালো হয়। অনেক দিন ব্যবহৃত হয়ে কড়াই কালো হলেও তাতে ভালো ভাজা হয়।
৭. ডিমের সুস্বাদু ও সুগন্ধময় ওমলেট করতে হলে পেঁয়াজ, মরিচ ও অন্যান্য উপকরণ একত্রে ভালোভাবে মিশিয়ে কিছুক্ষণ নাড়লে ওমলেট ভালো হয়।
৮. ডিমের পুডিং গরম অবস্থায় কাটতে চাইলে কাটার চাকুটি গরম পানিতে একটু ডুবিয়ে গরম করে নিন। তাহলে পুডিংটি ছিঁড়বে না এবং ভালোভাবে কাটা যাবে।
৯. অনেক সময় ফ্রিজে রাখা ডিম ফ্রিজ থেকে বের করে রান্না করলে (ডিম পোচ করলে) কুসুম ভেঙ্গ যায়, সাদা অংশ ছড়িয়ে যায় এবং সিদ্ধ করতে চাইলে তা তাড়াতাড়ি সিদ্ধ হয় না।  ডিম ফ্রিজ থেকে বের কের কিছুক্ষণপর রান্না করা প্রয়োজন। তবে মনে রাখা প্রয়োজন, ডিম ফ্রিজে রাখা উত্তম ব্যবস্থা নয়। ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ডিম ভালো থাকে এবং বেশি দিন থাকে। তবে ঘরের তাপমাত্রা সব সময় খুব বেশি থাকলে (২৫ ডিগ্রীর উপর) ডিম ফ্রিজে রাখা যেতে পারে। তবে তা বেশি দিনের জন্য নয়। ডিম যদিও অনেক দিন ভালো থাকে তবুও প্রকৃত পুষ্টিগুণ পেতে হলে ডিম দ্রুত খেয়ে নেওয়া উত্তম। কারণ ডিম কতোদিন আগের,  কোন কোনে তাপমাত্রায় তা আগে ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় স্টোর করে রাখাছিল তা অজানা থেকে যায়।

ডিম একটি অতি প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাবার। প্রায় প্রতিদিন রান্নায় কিংবা খাবারের মেনুতে এটি থাকে। তাই এর উপর কয়েকটি টিপস দেওয়া  হলোঃ ১. ডিম সিদ্ধ করতে হলে পানিতে সামান্য লবণ দিয়ে দিন। এতে ডিম তাড়াতাড়ি সিদ্ধ হবে এবং ডিম সহজে ফাটবে না। এভাবে ডিম খেতেও ভালো লাগে। ২. গরম অবস্থায় ডিমের খোসা ছড়াবেন না। গরম পানি থেকে নামিয়ে ঠান্ডা পানিতে কিছুক্ষণ রেখে খোসা ছাড়ান। এতে ডিমের খোসায় লেগে ডিম ছিঁড়বে না অর্থাৎ ডিম অক্ষত থাকবে। ৩. অর্ধ সিদ্ধ ডিম খেতে চাইলে সাধারণত ১২-১৫ মিনিট ফুটালে অর্ধ সিদ্ধ ডিম হয়ে যায় (তাপ দেওয়ার পর থেকে ১২-১৫ মিনিট) অথবা পানি ফুটতে শুর করলে…

Review Overview

User Rating: Be the first one !

About admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*